
আওয়ামী লীগের লুঙ্গির নীচে থাকা শুধু দাউদ খান কেন, সাদিক কায়েম, হাসনাত, সারজিসরা তো ছাত্রলীগের পোষ্টেড নেতা ছিল। ছাত্রলীগের লুঙির নীচে থাকারা নিজেরা গর্বভরে এখন ফেসবুক-মিডিয়াতে বলে তারা আওয়ামী লীগে ঢুকেছিল অপকর্ম করে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে বিতর্কিত করতে। তারা এখন সরাসরি শিবির-ডাকসুর পোষ্টেড নেতা।
গত বছরের নভেম্বরে দাউদ খান চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা খাইলো। তাকে কেন দ্রুত জামিন দেয়া হইলো? আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী, শাহরিয়ার কবিরদের কাউকে তো জামিন দেয়া হচ্ছে না।
যে জুলকারনাইন সায়ের আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে দাউদ খানের ছবি দিয়ে আওয়ামী লীগের সাথে হাদির উপরে হামলা হওয়ার একটা সম্পর্ক খুঁজার চেষ্টা করতেছে তার নিজেরই তো শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতাদের সাথে ছবি আছে।
নেত্র নিঊজে সামির নিজের দেয়া তথ্যমতে “২০১২ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত হাঙ্গেরিতে আওয়ামী লীগের কোনো মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ নেতারা সফরে গেলে তাদের আপ্যায়নের কাজ করেছেন।”
জুলকারনাইন সায়ের কালকে যদি কোন রাজনৈতিক অপকর্ম করেন, যে কারনেই হোক করেন, সেটাও কি আওয়ামী লীগের দোষ হবে?