“আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে তো জিনিসগুলো অনেক ধোঁয়াশা ছিল। আমরা তো বঙ্গবন্ধুর অবদান সম্পর্কে জানতে পারতাম না। আমি যখন ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়লাম, তখন দেখলাম যে একটা মানুষ ১৩-১৪ বছর জেলে কাটিয়ে দিয়েছেন। ওঁনার নেতৃত্বের গুণাবলী এবং তিনি যে কথা বলতেন ওটা ভালো লাগতো,” বলছিলেন নাজনীন নাহার বিপা।
১৫ই আগস্ট প্রতিবারই দেশজুড়ে প্রায় প্রতিটি পাড়া, মহল্লা এবং গ্রামে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ ব্যাপকভাবে প্রচার করে।
এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউটিউবসহ নানা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেখ মুজিবুর রহমানকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ আপলোড করা হয়েছে।
শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে গ্রাফিক, নভেলসহ নানা মাধ্যমে এসব বিষয় প্রচারের জন্য সক্রিয় আছে আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সিআরআই।
তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নতুন প্রজন্মের কাছে শেখ মুজিবকে তুলে ধরা।
সিআরআই-এর নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন ভাষণ থেকে ১০০টি উদ্ধৃতি বাছাই করে একত্রিত করা হয়েছে।
“যে জায়গাটায় দেখছি যে গ্যাপ আছে বা আমাদের কিছু করার আছে, যেটা ইউথ ফ্র্যান্ডলি ওয়েতে প্রেজেন্ট করা যায়, তখনই ঐ জায়গাগুলোতে আমরা কাজ করছি,” বলছিলেন মি: শামস।
আওয়ামী লীগ মনে করে, ১৯৭৫ সালের পর থেকে দীর্ঘ ২১ বছর অর্থাৎ ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে শেখ মুজিব উপেক্ষিত ছিলেন।
তারা মনে করছেন, শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের নানা দিক যত বেশি তুলে ধরা হবে, তরুণ প্রজন্মকে তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি তত বেশি আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে।


