ঢাকামঙ্গলবার , ২৯ আগস্ট ২০২৩
  1. Driver Booster
  2. Fabfilter Pro Q 3
  3. Kmspico
  4. অন্যান্য
  5. অপরাধ
  6. অর্থনীতি
  7. আইন আদালত
  8. আইন ও পরামর্শ
  9. আন্তর্জাতিক
  10. আবহাওয়া
  11. ইসলাম
  12. কর্পোরেট
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘আত্মবিশ্বাস থাকলে বিবৃতি ভিক্ষা করতেন না’ ড. ইউনূস – শেখ হাসিনা

মোঃ সামিউল ইসলাম
আগস্ট ২৯, ২০২৩ ৭:১১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নাম উল্লেখ না করেই বলেছেন তার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের তিনি কেউ নন। বরং, শেখ হাসিনা বলেন, যারা তার পক্ষে বিবৃতি দিয়েছে তারা বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী পাঠিয়ে সব দলিল দস্তাবেজ খতিয়ে দেখুক যে সেখানে অন্যায় বা অসামঞ্জস্যতা আছে কি-না।

“কেউ যদি ট্যাক্স না দেয় আর শ্রমিকের অর্থ আত্মসাৎ করে এবং সেই শ্রমিকের পক্ষে শ্রম আদালতে মামলা হলে আমাদের কি হাতে আছে যে সে বিচার বিন্ধ করে দেব?” ঢাকায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সোমবার বারাক ওবামা ও হিলারি ক্লিনটনসহ বিশ্বের ১৬০ জন সুপরিচিত ব্যক্তি ও নেতা অধ্যাপক ইউনুসের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে একশ’র বেশি নোবেল বিজয়ী রয়েছেন।

এ চিঠিতে মি. ইউনুসের মামলার বিচারকাজ স্থগিত করার জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীকে আহবান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে গত দুটি নির্বাচনের বৈধতার সংকট ছিলো জানিয়ে সামনের নির্বাচনের দিকে তাদের নজর রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেছেন, “আমার খুব অবাক লাগছে। অপরাধ করেননি- ভদ্রলোকের যদি এতোটাই আত্মবিশ্বাস থাকতো তাহলে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না।”

“বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং সবকিছু আইন মতো চলে। আর এদেশে বিচারাধীন বিষয়ে আমরা কথা বলি না। তাছাড়া আমি কে মামলা প্রত্যাহার করার?”

‘আইন আপন গতিতে চলবে’

শেখ হাসিনা বলেন, “যারা বিবৃতি দিয়েছে তারা এক্সপার্ট পাঠাক, ল ইয়ার পাঠাক.. যার বিরুদ্ধে মামলা তার দলিল দস্তাবেজ খতিয়ে দেখুক যে সেখানে কোনো অন্যায় আছে কি-না। তারা এসে দেখুক। তাদের এসে দেখা দরকার কী কী অসামঞ্জস্যতা আছে। লেবার ল নিয়ে তো অনেক কথা শুনতে হয়।”

“প্রফিটের ৫ শতাংশ লেবার ওয়েলফেয়ারে দিতে হবে। এখন সেটা কেউ না দিলে এবং লেবাররা যদি তার জন্য মামলা করে…সেজন্য তাদের চাকুরিচ্যুত করলে… সেজন্য মামলা হলে সেই দায়িত্ব তো আমাদের না। এগুলো নিয়ে যারা বিবৃতি দিচ্ছেন তারা ওখানে বসে বিবৃতি না দিয়ে তাদের ক্লায়েন্টের জন্য ল’ইয়ার পাঠিয়ে দেখুক যে অন্যায় আছে কি-না। না-কি অন্যায়ভাবে মামলা হয়েছে।”

শেখ হাসিনা বলেন সরকারের পাওনা অর্থ সরকারকে তো আদায় করতে হবে। “ট্যাক্স দেয়া সব নাগরিকের দায়িত্ব। যারা বিবৃতি দিয়েছে তাদের দেশে ট্যাক্স ফাঁকি দিলে তারা কি চুপ থাকে? এমন অনেক নোবেল লরিয়েট আছেন যারা পরবর্তীতে তাদের কাজের জন্য জেলে গেছেন।”

“তাই আমি বিবৃতি দাতাদের আহবান জানাচ্ছি যে – এক্সপার্ট পাঠান.. সব যাচাই করে দেখেন। নয়তো আইন আদালত আছে শ্রম আদালত আছে- আইন তার আপন গতিতে চলবে। আমার আর কোন কথা নেই”।

“একজন ব্যাংকের এমডি এবং সেই ব্যাংক সরকারি। সরকারি বেতনভুক এমডি বিদেশে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার কিভাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য করে। যারা বিবৃতি দিলেন তারা কি এটা একবারও জিজ্ঞেস করেছেন?…কোথা থেকে টাকা এলো, কীভাবে উপার্জন করলো- কেউ জানতে চেয়েছে? ” প্রশ্ন করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আদালতের উচিৎ স্বাধীনভাবে কাজ করা, ন্যায় বিচার করা। “কে বিবৃতি দিলো তাতে আদালত প্রভাবিত হবে কেন? আদালত ন্যায় বিচার করবে। আদালত স্বাধীনভাবে চলবে। ভয় পেলে তো চলবে না। শ্রমিকদের যা পাওনাতো দিতে হবে। সেখানে অল্প কিছু দিয়ে তারপর ঘুষ দেয়া কি ন্যায়ের কাজ?”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।