ঢাকামঙ্গলবার , ২০ ডিসেম্বর ২০২২
  1. Driver Booster
  2. Fabfilter Pro Q 3
  3. Kmspico
  4. অন্যান্য
  5. অপরাধ
  6. অর্থনীতি
  7. আইন আদালত
  8. আইন ও পরামর্শ
  9. আন্তর্জাতিক
  10. আবহাওয়া
  11. ইসলাম
  12. কর্পোরেট
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য কি ‘দ্বৈত শাসনের ঝুঁকি’ তৈরি করবে?

মোঃ সামিউল ইসলাম
ডিসেম্বর ২০, ২০২২ ৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রকাঠামো, তাদের ভাষায়, মেরামত করার যে ২৭ দফা ঘোষণা করেছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনা।

বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের একটি অংশ বেশ কছর ধরেই বলে আসছে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য দরকার।

তাদের সেই চিন্তা বিএনপির রূপরেখায় উঠে এসেছে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য কিভাবে হবে এবং এর সম্ভাব্য পরিণতি কী হতে পারে?

ঝুঁকি কোথায়?

বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনরায় চালু হয়। সেসময় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সবগুলো রাজনৈতিক দল সর্বসম্মতিক্রমেই সেটি করেছিল।

কিন্তু এর এক দশক পর থেকেই নাগরিক সমাজের একটি অংশ মনে করছে যে প্রধানমন্ত্রীর হাতেই মাত্রারিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে ।

তখন থেকেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা বলা হচ্ছে।

১৯৯১ সাল থেকে বিএনপিও তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু তারা কখনো ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা ভাবেনি। এখন কেন তারা সেটি মনে করছেন?

বিএনপির সর্বোচ্চ ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, গত পনের বছর যাবত প্রধানমন্ত্রী তার ক্ষমতা যেভাবে ব্যবহার করেছেন সে প্রেক্ষাপটে ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা ভাবা হচ্ছে।“আমাদের সময়ে প্রধানমন্ত্রী সবার সাথে আলোচনা করে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং কাজ করেছেন। গত ১৫ বছরে আমরা দেখেছি যে তিনি ইচ্ছে মতো কাজ-কর্ম করেছন,” বলেন মি. মাহমুদ।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী  রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই কাজ করেন। অনেকে মনে করেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য করা হলে ‘দ্বৈতশাসনের’ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া সরকারের স্থিতিশীলতার সমস্যাও ডেকে আনতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক শান্তনু মজুমদার এক্ষেত্রে পাকিস্তানের উদাহরণ তুলে ধরেন।

“এটা কিভাবে করা হবে সেটা আমি বুঝতে চাই। আমাদের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে একভাবে করা হয়। এবং তার ঝুঁকিটা আমরা দেখেছি।”

“প্রধানমন্ত্রী মনোনীত রাষ্ট্রপ্রধান, তিনি কলমের খোঁচায় বিশেষ কোন শক্তির ইন্ধনে হয়তো বা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে হটিয়ে দিতে পারেন। বেনজির ভুট্টোর ক্ষেত্রে একবার, আমি যদি ভুল না করি, এবং নওয়াজ শরীফের ক্ষেত্রে দুইবার এ ঘটনা ঘটেছে,” বলেন অধ্যাপক মজুমদার।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।