বাবার খোঁজে ভারতে এমপি-কন্যা

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশের উপ-দূতাবাস যে তথ্য পেয়েছে, তা অনুযায়ী ১৭ই মে মি. আজিমের মোবাইল নম্বরটি কিছুক্ষণের জন্য বিহারে অবস্থান করছিল।

আবার এটাও জানতে পেরেছে তারা যে মোবাইল সেট থেকে সিম কার্ডটি আলাদা করে রাখার কারণে সঠিক অবস্থান খুঁজে পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

অন্যদিকে, ঢাকায় ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশীদ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, “তার দুটি বাংলাদেশি নম্বর আছে আর একটি ভারতের নম্বর। আমরা ভারতীয় পুলিশের সহযোগিতায় তার ভারতীয় নম্বরটি দেখলাম মুজাফফরাবাদ অর্থাৎ বিহারের দিকে।“

ঘটনাচক্রে বিহারে মুজাফফরাবাদ নামের জায়গা নেই। পাকিস্তান শাসিত জম্মু-কাশ্মীরের রাজধানীর নাম মুজাফফরাবাদ, আর প্রায় কাছাকাছি যে নামের জায়গা বিহারে আছে, সেই জায়গার নাম মুজফ্ফরপুর।

ডিবির প্রধান জানিয়েছেন, “আমরা বিষয়টার খোঁজখবর রাখছি। ভারতের যারা বাংলাদেশে আছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলছি, আবার ভারতীয় পুলিশের সঙ্গেও কথা বলছি। উনার পরিবারও যোগাযোগ রাখছে আমাদের সঙ্গে। তার মেয়ে আমাদের কাছে এসেছিলেন।”

ডিবি কার্যালয়ে বাবার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জমা দিয়েছেন সংসদ সদস্যের কন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান যে তিনি নিজেই ভারতে যাচ্ছেন বাবার খোঁজখবর করতে।

“আমরা তো ভারতে মাঝে মাঝেই যাই। পার্লামেন্ট যেহেতু বন্ধ হয়ে গেছে, তাই দু-তিন দিনের জন্য ভারতে গিয়েছিলেন, এরকম রেগুলারই তিনি যান। ওনার কানে একটা সমস্যা আছে, একটা কান পুরোই বন্ধ হয়ে গেছে। সেটি চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন,” জানিয়েছেন মিজ ডরিন।