ঢাকামঙ্গলবার , ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  1. Driver Booster
  2. Fabfilter Pro Q 3
  3. Kmspico
  4. অন্যান্য
  5. অপরাধ
  6. অর্থনীতি
  7. আইন আদালত
  8. আইন ও পরামর্শ
  9. আন্তর্জাতিক
  10. আবহাওয়া
  11. ইসলাম
  12. কর্পোরেট
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশে নতুন রূপে ভারত বিরোধী রাজনীতি!

মোঃ সামিউল ইসলাম
ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪ ৩:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের পর ভারতকে নিয়ে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলগুলোর এক ধরনের পাল্টাপাল্টি অবস্থান দৃশ্যমান হয়েছে। বিএনপিবিহীন ৭ই জানুয়ারির নির্বাচন ঘিরে ভারত সরকারের নীতি ক্ষমতাসীনদের প্রশংসা কুড়িয়েছে আর বিরোধীদের কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছে। রাজনীতির মাঠে বিরোধী দলগুলোর সভা সমাবেশে ভারত বিরোধী একটা অবস্থান এখন প্রকাশ্যে আসছে।

জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে মাঠের রাজনীতিতে ভারত বিরোধিতার বিষয়টি যেমন দৃশ্যমান হচ্ছে তেমনি সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমেও ভারতীয় পণ্য বর্জনের ক্যাম্পেইন নিয়ে পাল্টাপাল্টি তর্ক বিতর্ক এবং সমালোচনা জোরালো হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভারতীয় পণ্য বয়কটের বিষয়টি সামনে এনে রীতিমতো আন্দোলন গড়ে তুলতে চাইছেন কেউ কেউ। গণ অধিকার পরিষদের নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর ঢাকায় একাধিক রাজনৈতিক সভায় ভারতীয় পণ্য বর্জনের আন্দোলন গড়ে তোলার কথা বলেছেন।

ভারত বিরোধী এমন একটি রাজনৈতিক অবস্থান কেন নিয়েছেন এ প্রশ্নে নুর সাংবাদিকদের বলেন, ভারত যদি একপাক্ষিক সম্পর্ক মেইনটেইন করে তাহলেতো আমাদের অ্যান্টি ইন্ডিয়ান হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নাই। জনগণের প্রতি জনগণের একটা শ্রদ্ধা ভালোবাসা সম্মানের সম্পর্ক আমরা সবসময় তৈরি করতে চাই। কিন্তু শাসক পর্যায়ে, নীতি নির্ধারক পর্যায়ে আমরা এই বার্তাটা দিতে চাই যে ভারত যেভাবে বাংলাদেশকে বিশেষ করে গত পনেরো বছর দেখে আসছে এইটা ঠিক না।

“মোটামুটি ভারতের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যা নেয়া দরকার-বন্দর, ট্রানজিট সেটা কিন্তু ভারত নিয়েছে। কাজেই এখন অন্তত ভারত সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে একটা সুসম্পর্ক গড়ে তুলবে এবং জনগণের চাওয়াকে প্রাধান্য দেবে কিন্তু এই নির্বাচনে আমরা এর বিপরীত চিত্রটা দেখলাম। যে কারণে আমাদের কাছে এখন মনে হয়েছে যে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের পাশাপাশি এই সরকারের যেহেতু খুটির জোরটা হচ্ছে ভারত কাজেই সেই ভারতের বিরুদ্ধে জনগণকে আরো সংগঠিত করে একটা মুভমেন্ট দরকার যেটা মালদ্বীপের ক্ষেত্রে হয়েছে”, যোগ করেন মি. নুর।

ঢাকায় ছোটখাট দল বা সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ইদানীং ভারত বিরোধী ব্যানার, প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করতে দেখা যাচ্ছে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে থাকা প্রধান দলগুলো অবশ্য সরাসরি ভারত বিরোধী অবস্থান বা কোনো আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তবে নির্বাচন বর্জন করা দলগুলোর নেতাদের বক্তব্যে ভারতের সমালোচনা ইদানীং জোরালো হয়েছে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকেও রাজনৈতিক সভায় দেয়া বক্তৃতার এক পর্যায়ে ভারত প্রসঙ্গে সমালোচনা করতে দেখা গেছে। তিনি বলছেন, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক করছে না, একটি দলকে সমর্থন দিচ্ছে।

“জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক করলে তারা এই বিবৃতি দিতে পারে না যে বাংলাদেশে নির্বাচিত একটা সরকার হয়েছে। এটা কোনো নির্বাচিত সরকার নয়। পরিস্থিতি একটা নেতিবাচক দিকেই যাচ্ছে এখন। আমরা আশা করবো যেহেতু আমি প্রতিবেশী বদলাতে পারবো না ওরা যত তাড়াতাড়ি বাস্তবটা বুঝতে পারে তত ভালো। আমাদের খুব একটা বেশি ক্ষতি হবে তা কিন্তু আমি মনে করি না। ক্ষতি তাদের হতে পারে।”

আন্দোলন প্রসঙ্গে এই রাজনীতিবিদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, “প্রধানত ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই এবং তাদের দোসর যারা, সঙ্গী যারা তাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা আমরা আপসহীনভাবে করবো।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।