কাইল্লা হাসনাত সুবিধাভোগী ‘সাবেক’ মুজিব সেনাটি কি ইন্ডিয়ার চর? আবারও সে আলোচনায় উঠে এসেছে তথাকথিত ‘সর্বদলীয়’ সংহতি সভায়- ‘সেভেন সিস্টার্স আলাদা করে দিব’ টাইপের বালখিল্যতাপূর্ণ কথা বলে।
আমার প্রশ্ন হলো- এই পাডা কি নির্বোধ নাকি সচেতন শয়তান? এইধরনের গর্হিত বাল পাকনা কথা বলার জন্য হয় গর্দভ হতে হবে তা নাহলে অন্য কারো দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত বা পেইড এজেন্ট হতে হবে। আমার আশঙ্কা -এই কাইল্লা দ্বিতীয়টি।
একটি দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত করে কথাবার্তা বলা সেটি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক নেতা হোক বা ইন্ডিয়ার, যেই বলুক সেটা অন্যায়, অনুচিত। অতীতে কেউ বললে অন্যায় করেছে, ভবিষ্যতে কেউ বললেও অন্যায়ই হবে।
কিন্তু বাংলাদেশের মতো ‘দুর্বল’ দেশের জন্য এই ধরনের উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলা শুধুমাত্র অন্যায়ই না, সমূহ বিপদজনকও বটে।
ইদানিং এই ‘পপুলিস্ট গর্দভেরা’ “হ*ত্যাযোগ্য” করে তোলা হচ্ছে নামক একটি শব্দের প্রচলন করেছে। হাসনাতেরা কতটুকু বিপদে পড়ে জানিনা, কিন্তু তাদের অপরিণামদর্শী কথাবার্তা দেশের আঠারো কোটি মানুষকেই বিপদে ফেলার জন্য বা মৃত্যুক্ষেত্র প্রস্তুতের জন্য যথেষ্ট।
বাংলাদেশকে ভারত কোনদিন যদি আক্রমণ করে বসে-কাইল্লা হাসনাতেরা সেই আক্রমণকে নৈতিক বৈধতা দেয়ার এসাইনমেন্টপ্রাপ্ত হয়েছে কিনা? এই প্রশ্নটা জোরেসোরে উঠাতে হবে। ইন্ডিয়া কখনো বাংলাদেশে আক্রমণ করে বসলে এই বালপাকনা পাডাদের এসব কথাই ইন্ডিয়ার জন্য একমাত্র ডিফেন্স হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশ আমাদের আঞ্চলিক অখন্ডতার জন্য হুমকি তৈরি করেছে বা আমাদের দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা দিচ্ছে।
ইউক্রেনকে ন্যাটোতে যুক্ত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে ইউক্রেনের জোকারটা সে দেশের উপর রুশ আগ্রাসনকে অত্যন্ত সচেতনভাবে নিমন্ত্রণ দিয়ে এনেছিল। তিন বছরের যুদ্ধ শেষে লাখের উপর মানুষের জীবন, প্রায় কোটির উপরে মানুষ বাস্তুচ্যুত এবং ৫০০ বিলিয়ন সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পর ইউক্রেনীয় বাল পাকনা জোকারটা দুদিন আগে ঘোষণা দিয়েছে তারা ন্যাটোতে যোগ দিবেনা। নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা না রেখে অতিরিক্ত পাকনামির কি ফল সেটা ইউক্রেনীয় জনগণ হারে হারে টের পাচ্ছে।
গভীর সন্দেহ হয়- ধর্মীয় উগ্রবাদী বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে যে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা করতে পারছেনা, সেই সুবিধা পাইয়ে দিতে- বাংলাদেশে একটি ‘বায়বীয় ভারতবিরোধী’ রাজনীতির উত্থান ঘটাতে চায় কিনা? যার ব্যবহারিক কোন ইম্প্যাক্ট থাকবেনা, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ইমোশনকে ‘ট্রিগার’ করবে? যেটা আল্টিমেটলি সুবিধা দিবে- উগ্রপন্থী ‘বিজেপি’কে?
কাইল্লারা কি দেশে বিজেপির রিক্রুট?
যেখানে একজন খু*নীকে আশ্রয় দিয়ে ইন্ডিয়া নৈতিকভাবে ডাউন থাকতো তাদেরকে উলটো আমাদের হাইকমিশনারকে ডেকে শাসানোর মতো সুযোগ কেন করে দিলো- এই সাবেক সুবিধাভোগী মুজিব মতাদর্শে বিশ্বাসী ব্যক্তিটি।
হাসনাতরা কি তাহলে ভারতবিরোধীতার আড়ালে ভারতেরই হয়ে রাজনীতি করছে আর বিভিন্ন সুবিধা নিচ্ছেনা তো?


