ঢাকারবিবার , ২৮ মে ২০২৩
  1. Driver Booster
  2. Fabfilter Pro Q 3
  3. Kmspico
  4. অন্যান্য
  5. অপরাধ
  6. অর্থনীতি
  7. আইন আদালত
  8. আইন ও পরামর্শ
  9. আন্তর্জাতিক
  10. আবহাওয়া
  11. ইসলাম
  12. কর্পোরেট
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার হুমকি সামলানোর উপায় কী হাসিনা সরকারের

মোঃ সামিউল ইসলাম
মে ২৮, ২০২৩ ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আগামী নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে যে একটি হুমকি আসছে এটি বেশ কিছুদিন থেকেই বাংলাদেশের সরকার সম্ভবত আঁচ করছিল। কারণ, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে খোলাখুলি আমেরিকার তীব্র সমালোচনা শোনা গেছে।

এপ্রিলে তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন আমেরিকা চাইলে যে কোনো দেশেই ক্ষমতা ‘উল্টে-পাল্টে’ দিতে পারে। এ মাসে লন্ডনে তিনি বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেন “আমেরিকা আমাকে ক্ষমতায় দেখতে চায়না।”

কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো ওয়াশিংটনের কাছ থেকে কাগজে-কলমে ভিসা নিষিদ্ধের এই হুমকি চলে আসার পর কী করবে আওয়ামী লীগ সরকার?

অগামী নির্বাচন অবাধ এবং নিরপেক্ষ হবে বলে যে প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এবং তার মন্ত্রীরা দিতে শুরু করেছেন, তাতে কি আমেরিকাকে আশ্বস্ত করা যাবে?

অধিকাংশ পর্যবেক্ষক তা মনে করছেন না, কারণ এ মাসেই ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অ্যান্টনি ব্লিনকেনের সাথে বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেনের পক্ষ থেকে দেওয়া অবাধ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির দুই সপ্তাহ না যেতেই মি. ব্লিনকেন নিজে এই ভিসা নিষেধাজ্ঞার হুমকি ঘোষণা করেন।

বোঝাই যাচ্ছে, আমেরিকা প্রমাণ দেখতে চাইছে।

তবে কেউই বিশ্বাস করছেন না যে আমেরিকার কাছ থেকে এই হুমকির পর রাতারাতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক আবহ বদলে যাবে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো কোনো চাপ ছাড়াই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হতে পারবে, বা গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে।

ঢাকায় একাধিক সাবেক কূটনীতিকরা বলছেন এই রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক চাপ সামাল দিতে তলে তলে আমেরিকার সাথে দেন-দরবার দর-কষাকষির পথে যাবে সরকার।

“এটাই প্রটোকল, অতীতেও বিভিন্ন ইস্যুতে তা করা হয়েছে, এবারও হবে। কারণ, আমেরিকার সাথে সম্পর্ক এখনও বাংলাদেশের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্পর্ক অগ্রাহ্য করার কোনো রাস্তা এখনও নেই,” নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন সাবেক একজন কূটনীতিক।

কিন্তু আমেরিকার মত দেশের সাথে দেন-দরবার বা দর-কষাকষির জন্য শক্তি কতটুক রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের? তাদের হাতে এমন কী রয়েছে যার বিনিময়ে কিছু প্রতিদান আদায় করতে সক্ষম হবে?

রাজনৈতিক-অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন ক্ষমতার সম্পর্কে কোনো একটি দেশের দেন-দরবারের সক্ষমতা বেশ কিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করে : ক্রয় ক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ বাজারের আয়তন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের সক্ষমতা।

পাশাপাশি, ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বা ঔপনিবেশিক যোগসূত্র কূটনৈতিক দেন-দরবারে কাজে লাগে।

এসব কারণেই ভারত বা সৌদি আরবের মত দেশ আমেরিকান নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে রাশিয়ার সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখলেও বাইডেন প্রশাসনকে তা হজম করতে হচ্ছে।

কিন্তু এসবের বিবেচনায় বাংলাদেশ অপেক্ষাকৃত একটি দুর্বল রাষ্ট্র।

“বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক প্রধানত ষ্ট্রাটেজিক, বাজার বা বিনিয়োগ নয়। বরঞ্চ বাজারের ওপর যেটুক নির্ভরতা তা প্রায় পুরোটাই বাংলাদেশের। ২০ থেকে ২৫ শতাংশ তৈরি পোশাক এক যুক্তরাষ্ট্রে যায়, ফলে বাজারের প্রয়োজন শুধু বাংলাদেশের,” বলেন ড. ভট্টাচার্য।

এ মাসের মাঝামাঝি শেখ হাসিনা হঠাৎ ঘোষণা দেন বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেবে এমন দেশ থেকে আমদানি বন্ধের তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের কোনো গুরুত্বই আমেরিকার কাছে নেই।

“আমি এমন কিছু দেখিনা যেটা দেখিয়ে বাংলাদেশ আমেরিকার কাছ থেকে চাপ দিয়ে কিছু আদায় করে নিতে পারবে,” বলেন সাবেক পররাষ্ট্রসচিব তৌহিদ হোসেন।

“একটি গুজব শুনি আমেরিকা নাকি তাদের ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসাবে বাংলাদেশে একটি সামরিক ঘাঁটি করতে চায়। আমি বিশ্বাস করিনা সে কারণে এই চাপ।

যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই বিশ্বাস করে চাপ দিয়ে ঘাঁটি তৈরি করা যাবে। আমি একেবারেই তা মনে করিনা,” তিনি বলেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।