ঢাকারবিবার , ২৬ আগস্ট ২০১৮
  1. Driver Booster
  2. Fabfilter Pro Q 3
  3. Kmspico
  4. অন্যান্য
  5. অপরাধ
  6. অর্থনীতি
  7. আইন আদালত
  8. আইন ও পরামর্শ
  9. আন্তর্জাতিক
  10. আবহাওয়া
  11. ইসলাম
  12. কর্পোরেট
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রৌমারীর কিংবদন্তী,আমাদের অহংকার

মো: সামিউল ইসলাম
আগস্ট ২৬, ২০১৮ ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

জাতীয় মুষ্টিযুদ্ধ( বক্সিং) প্রতিযোগিতায় জুনিয়র টিমে চ্যাম্পিয়ন হয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হয়ে লড়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ছিলেন রৌমারীর কিশমত আলী যাকে বর্তমানে কিশমত মাষ্টার হিসেবে চিনে। ১৯৬৭ সালের ২৫ – ২৭ মে করাচীতে অনুষ্ঠিত ৩ দিনের সফরে করাচীর পুলিশ হেডকোয়ার্টার ময়দানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হয়ে সাফল্য লাভ করেন তরুণ মুষ্টিযোদ্ধা কিশমত আলী । এই তরুণ মুষ্টিযোদ্ধার বাড়ি আজকের বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার পাখীউড়া গ্রামে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুষ্টিযোদ্ধারা করাচীতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতায় যে সাফল্যের পরিচয় দিয়ে ছিলেন তা এ প্রদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পূর্ব পাকিস্তানের তরুণ মুষ্টিযোদ্ধা কিশমত আলী, রোডনি রোজেনরোড ও মোহাম্মদ শরীফের অভূতপূর্ব ক্রীড়া দেখে পশ্চিম পাকিস্তানের দর্শকরা উৎফুল্ল হয়ে চিৎকার করে বলেছেন ” সাবাশ বাঙ্গালকা শের “। ইতোপূর্বে পূর্ব পাকিস্তানের মুষ্টিযোদ্ধারা শুধু বিরাশি সিক্কা ওজনের গুসি খেয়ে ফিরে এসেছেন। করাচীর পুলিশ হেডকোয়ার্টার ময়দানে এই প্রথম প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই পূর্ব পাকিস্তানের দলের শেরে বাংলা মুষ্টিযুদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্রের তরুণ মুষ্টিযোদ্ধা কিশমত আলী করাচী দলের স্টিভেন্স আলফ্রেডকে জুনিয়র গ্রুপে পরাজিত করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেন। আলফ্রেড এই প্রথম মুষ্টিযোদ্ধা কিশমত আলীর নিকট পরাজয় বরণ করেন। তুমুল উৎসাহে দর্শকগণ কিশমতকে সাবাশ জানায় এবং তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় কিশমতের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত দেন।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে কিশমত আলী বাবা মায়ের ছোট সন্তান হওয়ার কারণে আর পরবর্তী ধাপের মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি, কিশমতের বড় ভাই বুয়েটের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন তিনি পত্রিকার মারফত খবর জানতে পেরে ছোট ভাই হারানোর ভয়ে তাকে কৌশল করে বুয়েট অধ্যাপক ইমান আলী ঢাকায় তার নিজ বাসায় বন্দি করে ১০ দিন পর কিশমত আলীর গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করেন। বর্তমানে বয়সজনিত কারণে বাড়িতে বসেই অবসর দিনগুলো কাটাচ্ছেন।

উল্লেখ্য বিষয় এই যে উত্তরবঙ্গের অবহেলিত জনপদের মধ্যে রৌমারী উপজেলা সবচেয়ে অবহেলিত, এই পশ্চাৎপদ অবহেলিত এলাকা থেকেও ব্রিটিশ শাসিত সমাজে মরহুম ইমান আলী পড়াশোনা করে বুয়েটের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন এবং গণিত বিষয়ের উপর ৬ টি গণিত বই লিখেছেন এবং নীলকান্ত সরকার স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হয়েছেন। কিশমত আলী ক্রীড়া ও তার বড় ভাই মরহুম ইমান আলী শিক্ষায় দেশ ও দেশের বাহিরে সুনাম অর্জন করেছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।